পোস্টগুলি

আর্য রহস্যের অনুসন্ধান

ছবি
আর্য কারা,তাদের আদি বাসস্থান কোথায়,ভারতীয় উপমহাদেশে কবে তাদের আগমন,প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতায় তাদের কি অবদান-এই বিষয়গুলি নিয়ে একের পর এক বিতর্ক হয়েছে কিন্তু কোন নিশ্চিত সমাধানসূত্র আজও অধরা।প্রাথমিক পর্বে মনে করা হত যে শ্বেতগাত্রবর্ণ,টিকালো নাসিকা,প্রশস্ত ললাট ও দীর্ঘদেহী ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য সম্বলিত মানবপ্রজাতির একটি গোষ্ঠী হল আর্য। এই তত্ত্ব বেশ প্রভাবও বিস্তার করেছিল এবং এর ভিত্তিতে অনেকেই বলতে শুরু করেন যে আর্যরা হলেন নরডিক জাতির মানুষ।কিন্তু এই কাল্পনিক তত্ত্বের ফানুস ফুটো হয়ে যায় ইরান থেকে বেহিস্তান শিলালিপি আবিষ্কৃত হওয়ার পর।যীশুর জন্মের প্রায় ৪৮৬ বছর আগে উৎকীর্ণ এই লেখতে পারস্য সম্রাট দারায়ুস নিজকে দাবী করেন-‘’ A Persian, a son of a Persian and an Aryan of Aryan Descent’’ হিসেবে। ব্যাস এরপরই ঐতিহাসিক মহলে তীব্র আলোড়নের সৃষ্টি হল এবং আর্য জাতির সাথে সম্পৃক্ত দেহসৌষ্ঠব সংক্রান্ত তত্ত্ব এক লহমায় বাতিলের খাতায় চলে গেল। নিঃসন্দেহে আর্য জাতির শ্রেষ্ঠ সাহিত্য কীর্তি হল বেদ।সংস্কৃত ভাষায় বিরচিত বেদ এক বিস্ময়কর গ্রন্থ। ধর্ম ও দৈনন্দিন জীবনের নানা দিকের অপূর্ব সংমিশ্রণ এই গ্রন্থে লক্ষ্য ক...

ইসলাম নারীদেরকে কুত্তা ও শয়তানের সমান বলে নারীকে দিয়েছে সুমহান মর্যাদা

বিধি বিধান দ্বারা ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীকে চুড়ান্তভাবে অপমান করেছে। অন্য কোন ধর্মে নারীকে বিধি বিধান দিয়ে অপমান করে নাই, বরং সামাজিকভাবে তাদেরকে নানারকম ভাবে অপমান করা হয় যার সাথে তাদের ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। সেই কারনেই অমুসলিম সমাজে রাষ্ট্র আইন করে নারীদের নানা ধরনের অধিকার বাস্তবায়ন করলে ধর্ম সেখানে বাধা হয়ে দাড়ায় না।সেখানে ইসলাম নারীকে পুরুষের অর্ধেক , নারীরা শয়তান ও কুত্তার সমান ইত্যাদি বলে চুড়ান্ত অপমান করেছে। উদাহরন - ভারতে যখন আইন করা হলো ভাই ও বোন পিতার সম্পত্তির সমান অংশ পাবে , তখন হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করতে পারে নি , কারন হিন্দুদের কিতাবে সম্পদ বন্টনের কোন বিধি বিধান নেই। কিন্তু বাংলাদেশে যখন একবার সেখ হাসিনা একই ধরনের আইন করতে গেল , তারপর দিন থেকেই হুজুররা রাস্তায় নেমে এসে জিহাদ ঘোষনা করল , আর সেখ হাসিনা সেখানেই থেমে গেল। ইসলাম নারীকে বস্তুত: মানুষ বলেই স্বীকার করে নাই , বরং বলেছে , তারা কুত্তা ও শয়তানের সমান। সেটা হাদিস থেকে দেখা যেতে পারে ---- নিকাহ (বিয়ে-শাদী) অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩২৪০ আমর ইবন আলী (র)......জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত ...

কিতাবে নারীর মাহাত্ম্য কার্যতঃ পুরুষের কর্তৃত্ব

ইসলামী চিন্তাবিদ, মোল্লা মৌলবিরা সারাক্ষন প্রচার করে, ইসলামই নারীকে সর্বোচ্চ সম্মান দেখিয়েছে, আর তার সমর্থনে তারা দেখায় একটা হাদিস যাতে বলা আছে - মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেস্ত। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে , সন্তানের সাথে মায়ের সম্পর্ক নারীর সম্মানের মাপকাঠি না, স্বামী বা ভাই এর সাথে স্ত্রী বা বোনের সম্পর্কটাই হলো নারীর সম্মানের মাপকাঠি। দুনিয়ার সব ধর্মেই মা- এর স্থান সন্তানের কাছে অতি উচ্চে। তবে নারীকে প্রহার করা যদি সম্মান দেখানোর মাপকাঠি হয়, তাহলে ইসলাম এক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই নারীকে মহা সম্মান দেখিয়েছে। স্ত্রীকে প্রহার করাই যেহেতু নারীদের প্রতি সম্মান দেখানোর মাপকাঠি , ঠিক সেই কারনেই মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে নারী নির্যাতনের হার অতি উচ্চ। কারন পুরুষরা জানে স্ত্রীদেরকে প্রহার করার অধিকার তার আছে, আর তাই সামান্য কারনে স্ত্রীদেরকে অনেক সময় তারা বেধড়ক পিটায়, কোন রকম অনুভূতি বা দয়া মায়া ছাড়াই। কোরান খুব সুস্পষ্টভাবে বলেছে নারীর মধ্যে অবাধ্যতার সন্দেহ হলেই তাকে পিটান যাবে। অবাধ্য হওয়ার দরকার নেই, শুধুমাত্র সন্দেহ হলেই পিটান যাবে। যেমন -- সুরা নিসা-৪:৩৪:পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জ...

মুহাম্মদ একটা পাম গাছ, যেটি পাহাড়ের পাশে অযত্নে জন্মেছে

প্রতি বছরের মত ঘটা করে নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকী পালন করল মুসলমান সম্প্রদায়। ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী নামে নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকী পালন করলেও নবী মুহাম্মদের জন্মের রহস্য নিয়ে চিন্তার জগতে যেসব কানা-ঘুষা আছে সেগুলো নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায় ও ইসলামী স্কলারদের কখনো আলোচনা করতে দেখা যায়নি, উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর কোন সদুত্তোর পাওয়া যায়নি তাদের কাছ থেকে। সুকৌশলে মুহাম্মদের জন্ম নিয়ে সব ধরনের বিতর্ক এড়িয়ে যেতে দেখা যায় এদেরকে। এর কারণ হচ্ছে- তথাকথিত এমন একজন মহামানবের জন্ম রহস্য নিয়ে মুক্তচিন্তকদের উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর উত্তর তাদের জানা নেই। এই বিষয়ে আলোচনাতে মুসলিম স্কলার থেকে শুরু করে হালের মোল্লা-মৌলবীসহ সকলে বিব্রতবোধ করেন। ‘মুহাম্মদের প্রকৃত পিতা আসলে কে?’ – এমন প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তাদের কাফের, ইসলাম বিদ্বেষী, ইহুদী-নাসারাদের দালাল বলে আখ্যায়িত করা হয়। মুসলমানদের কাছে যে প্রশ্নের কোন উত্তর নাই, সেটির মোকাবেলা করে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত পাওয়ার কথা বলে। মুহাম্মদ যদি ঈশ্বর বা আল্লাহ প্রেরিত কোন মহামানব হয়ে থাকে তবে তার জন্মকাল, পূর্বসূরী, পিতা-মাতা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্র...

মুহাম্মদকে কি ডাকাত দলের সর্দার বলা যাবে?

মুহাম্মদ সম্পর্কে কেউ কোন সমালোচনামূলক বক্তব্য দেয়া মাত্রই মুমিনরা সেটাকে ইসলামের অবমাননা বলে অভিহিত করে থাকে। কিন্তু একটা ডাকাত বা চোর বা লুইচ্চাকে যদি ডাকাত বা চোর বা লুইচ্চা বললে সেটা কিভাবে সেই লোককে অপমান করা হলো ? সাধারনত: সমাজে হয়ত আমরা সেটা করি না , কিন্তু কেউ যদি নিজে ডাকাত সর্দার হয়ে পরে দাবী করে , সে হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ, তখন কি তাকে ডাকাত সর্দার বলা যাবে না ? এবার দেখা যাক , মুহাম্মদ ডাকাত সর্দার ছিলেন কি না। কোরানের বানীর মাধ্যমেই মুহাম্মদ নিজেকে দুনিয়ার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ হিসাবে দাবী করেছিলেন, যেমন -- সূরা আহযাব- ৩৩: ২১: যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে। তার মানে যারা মুসলমান বা মুমিন ,তাদের জন্যে মুহাম্মদই হলেন সর্বোত্তম আদর্শ মানুষ। এখন দেখা যাক , এই কথিত সর্বোত্তম আদর্শ মানুষ কি কাজ কারবার করছেন। সবাই জানেন , মক্কা থেকে মুহাম্মদ মদিনায় চলে যান। তার সাথে প্রায় ৮০/৯০ জন সাহাবীও গমন করে। মদিনার লোকজন ছিল গরিব ও মূলত: কৃষিজীবি , এত লোককে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়ান তাদে...

কোরানে কি কোন স্ববিরোধী বক্তব্য আছে ?

কোরানে কি কোন স্ববিরোধী বক্তব্য আছে ?যদি থাকে, তাহলে কোরান কিভাবে সৃষ্টিকর্তার বানী হবে ? ============================================= কোরান নিজেই দাবী করেছে , তার মধ্যে নাকি কোন স্ববিরোধীতা নেই , যেমন -- ---------------------------------------------------------- সুরা নিসা - ৪: ৮২: এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত।  ------------------------------------------------------------- সুতরাং কোরানের মধ্যে যদি একটা মাত্রও স্ববিরোধীতা বা বৈপরিত্য দেখা যায় , তাহলে কোরানের দাবী অনুযায়ী তা কোনভাবেই সৃষ্টিকর্তার বানী হতে পারে না। তো দেখা যাক , কোরান বলছে , মুহাম্মদের আগে আরবে মক্কার লোকদের কাছে কোন নবী আসে নাই , যেমন - ------------------------------------------------------------ সুরা সাজদা - ৩২: ৩: তারা কি বলে, এটা সে মিথ্যা রচনা করেছে? বরং এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে সত্য, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি। সম্ভবতঃ এরা সুপথ প্রাপ্ত হবে। ----...