কোরানে কি কোন স্ববিরোধী বক্তব্য আছে ?
কোরানে কি কোন স্ববিরোধী বক্তব্য আছে ?যদি থাকে, তাহলে কোরান কিভাবে সৃষ্টিকর্তার বানী হবে ?
=============================================
কোরান নিজেই দাবী করেছে , তার মধ্যে নাকি কোন স্ববিরোধীতা নেই , যেমন --
----------------------------------------------------------
সুরা নিসা - ৪: ৮২: এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত।
-------------------------------------------------------------
সুতরাং কোরানের মধ্যে যদি একটা মাত্রও স্ববিরোধীতা বা বৈপরিত্য দেখা যায় , তাহলে কোরানের দাবী অনুযায়ী তা কোনভাবেই সৃষ্টিকর্তার বানী হতে পারে না। তো দেখা যাক , কোরান বলছে , মুহাম্মদের আগে আরবে মক্কার লোকদের কাছে কোন নবী আসে নাই , যেমন -
------------------------------------------------------------
সুরা সাজদা - ৩২: ৩: তারা কি বলে, এটা সে মিথ্যা রচনা করেছে? বরং এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে সত্য, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি। সম্ভবতঃ এরা সুপথ প্রাপ্ত হবে।
----------------------------------------------------------------------
কিন্তু কোরানেরই অন্য আয়াত বলছে , ইসমাইলও একজন নবী ছিল , আর তার থেকেই মক্কাবাসী কুরাইশদের পত্তন ঘটে। হাদিসে আছে ইব্রাহীমও মক্কায় আগমন করেছিল, আর সেই ইসমাইলের সাহায্যে কাবা ঘর পুন: নির্মান করেছিল। যেমন ---
-------------------------------------------------------------------------
সুরা নিসা- ৪: ১৬৪: আমি আপনার প্রতি ওহী পাঠিয়েছি, যেমন করে ওহী পাঠিয়েছিলাম নূহের প্রতি এবং সে সমস্ত নবী-রসূলের প্রতি যাঁরা তাঁর পরে প্রেরিত হয়েছেন। আর ওহী পাঠিয়েছি, ইসমাঈল, ইব্রাহীম, ইসহাক, ইয়াকুব, ও তাঁর সন্তাবর্গের প্রতি এবং ঈসা, আইয়ুব, ইউনূস, হারুন ও সুলায়মানের প্রতি। আর আমি দাউদকে দান করেছি যবুর গ্রন্থ।
=============================================
কোরান নিজেই দাবী করেছে , তার মধ্যে নাকি কোন স্ববিরোধীতা নেই , যেমন --
----------------------------------------------------------
সুরা নিসা - ৪: ৮২: এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত।
-------------------------------------------------------------
সুতরাং কোরানের মধ্যে যদি একটা মাত্রও স্ববিরোধীতা বা বৈপরিত্য দেখা যায় , তাহলে কোরানের দাবী অনুযায়ী তা কোনভাবেই সৃষ্টিকর্তার বানী হতে পারে না। তো দেখা যাক , কোরান বলছে , মুহাম্মদের আগে আরবে মক্কার লোকদের কাছে কোন নবী আসে নাই , যেমন -
------------------------------------------------------------
সুরা সাজদা - ৩২: ৩: তারা কি বলে, এটা সে মিথ্যা রচনা করেছে? বরং এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে সত্য, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি। সম্ভবতঃ এরা সুপথ প্রাপ্ত হবে।
----------------------------------------------------------------------
কিন্তু কোরানেরই অন্য আয়াত বলছে , ইসমাইলও একজন নবী ছিল , আর তার থেকেই মক্কাবাসী কুরাইশদের পত্তন ঘটে। হাদিসে আছে ইব্রাহীমও মক্কায় আগমন করেছিল, আর সেই ইসমাইলের সাহায্যে কাবা ঘর পুন: নির্মান করেছিল। যেমন ---
-------------------------------------------------------------------------
সুরা নিসা- ৪: ১৬৪: আমি আপনার প্রতি ওহী পাঠিয়েছি, যেমন করে ওহী পাঠিয়েছিলাম নূহের প্রতি এবং সে সমস্ত নবী-রসূলের প্রতি যাঁরা তাঁর পরে প্রেরিত হয়েছেন। আর ওহী পাঠিয়েছি, ইসমাঈল, ইব্রাহীম, ইসহাক, ইয়াকুব, ও তাঁর সন্তাবর্গের প্রতি এবং ঈসা, আইয়ুব, ইউনূস, হারুন ও সুলায়মানের প্রতি। আর আমি দাউদকে দান করেছি যবুর গ্রন্থ।
সুরা মারিয়াম- ১৯: ৫৪: এই কিতাবে ইসমাঈলের কথা বর্ণনা করুন, তিনি প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী এবং তিনি ছিলেন রসূল, নবী।
সুরা আল আনাম - ৬: ৮৬: এবং ইসমাঈল, ইয়াসা, ইউনূস, লূতকে প্রত্যেককেই আমি সারা বিশ্বের উপর গৌরবাম্বিত করেছি।
----------------------------------------------------------------------
তার মানে কোরানের মধ্যে স্ববিরোধীতা বা বৈপরিত্য বিদ্যমান। এমন অবস্থায় কেন কোরান যে সৃষ্টিকর্তার বানী তা বিশ্বাস করতে হবে ?
----------------------------------------------------------------------
তার মানে কোরানের মধ্যে স্ববিরোধীতা বা বৈপরিত্য বিদ্যমান। এমন অবস্থায় কেন কোরান যে সৃষ্টিকর্তার বানী তা বিশ্বাস করতে হবে ?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন