ইসলাম নারীদেরকে কুত্তা ও শয়তানের সমান বলে নারীকে দিয়েছে সুমহান মর্যাদা
বিধি বিধান দ্বারা ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীকে চুড়ান্তভাবে অপমান করেছে। অন্য কোন ধর্মে নারীকে বিধি বিধান দিয়ে অপমান করে নাই, বরং সামাজিকভাবে তাদেরকে নানারকম ভাবে অপমান করা হয় যার সাথে তাদের ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। সেই কারনেই অমুসলিম সমাজে রাষ্ট্র আইন করে নারীদের নানা ধরনের অধিকার বাস্তবায়ন করলে ধর্ম সেখানে বাধা হয়ে দাড়ায় না।সেখানে ইসলাম নারীকে পুরুষের অর্ধেক , নারীরা শয়তান ও কুত্তার সমান ইত্যাদি বলে চুড়ান্ত অপমান করেছে।
উদাহরন - ভারতে যখন আইন করা হলো ভাই ও বোন পিতার সম্পত্তির সমান অংশ পাবে , তখন হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করতে পারে নি , কারন হিন্দুদের কিতাবে সম্পদ বন্টনের কোন বিধি বিধান নেই। কিন্তু বাংলাদেশে যখন একবার সেখ হাসিনা একই ধরনের আইন করতে গেল , তারপর দিন থেকেই হুজুররা রাস্তায় নেমে এসে জিহাদ ঘোষনা করল , আর সেখ হাসিনা সেখানেই থেমে গেল।
ইসলাম নারীকে বস্তুত: মানুষ বলেই স্বীকার করে নাই , বরং বলেছে , তারা কুত্তা ও শয়তানের সমান। সেটা হাদিস থেকে দেখা যেতে পারে ----
নিকাহ (বিয়ে-শাদী) অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩২৪০
আমর ইবন আলী (র)......জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসুলুল্লাহ (সা) এক মহিলাকে দেখলেন । তখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব (রাঃ)-এর নিকট আসলেন । তিনি তখন তার একটি চাড়মা পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সা) তার সাথে যৌনকাজ করে ঠান্ডা হলেন । তারপর বের হয়ে সাহাবীদের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়তানের বেশে এবং ফিরে যায় শয়তানের বেশে । অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে । কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয় ।
স্বলাত অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ৯ :: হাদিস ৪৯০
ইসমা’ঈল ইবনে খলীল (র)...... আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, একবার তাঁর সামনে সালাত নষ্টকারী জিনিসের আলোচনা করা হল। লোকেরা বললোঃ কুকুর, গাধা ও মহিলা সালাত নষ্ট করে দেয়। আয়িশা (রা) বললেন: তোমরা আমাদের কুকুরের সমান করে দিয়েছ! আমি নবী (সা) কে দেখেছি, সালাত আদায় করেছেন আর আমি তাঁর ও কিবলার মাঝে চৌকির উপর কাত হয়ে শুয়ে থাকতাম। কোন কোন সময় আমার বের হওয়ার দরকার হতো এবং তাঁর সামনের দিকে যাওয়া অপছন্দ করতাম। এজন্যে আমি চুপি চুপি সরে পড়তাম। আ’মাশ (র) আয়িশা (রা) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
উপরোক্ত হাদিস দুটোকে , নারীকে বলা হচ্ছে , তারা শয়তান ও কুত্তার সমান। মনে হয় না এর চাইতে আর কোন মানুষকে বেশী অপমান করা সম্ভব। এর পরেও কি মুমিনারা বিশ্বাস করবে ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান ?
উদাহরন - ভারতে যখন আইন করা হলো ভাই ও বোন পিতার সম্পত্তির সমান অংশ পাবে , তখন হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করতে পারে নি , কারন হিন্দুদের কিতাবে সম্পদ বন্টনের কোন বিধি বিধান নেই। কিন্তু বাংলাদেশে যখন একবার সেখ হাসিনা একই ধরনের আইন করতে গেল , তারপর দিন থেকেই হুজুররা রাস্তায় নেমে এসে জিহাদ ঘোষনা করল , আর সেখ হাসিনা সেখানেই থেমে গেল।
ইসলাম নারীকে বস্তুত: মানুষ বলেই স্বীকার করে নাই , বরং বলেছে , তারা কুত্তা ও শয়তানের সমান। সেটা হাদিস থেকে দেখা যেতে পারে ----
নিকাহ (বিয়ে-শাদী) অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩২৪০
আমর ইবন আলী (র)......জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসুলুল্লাহ (সা) এক মহিলাকে দেখলেন । তখন তিনি তার স্ত্রী যায়নাব (রাঃ)-এর নিকট আসলেন । তিনি তখন তার একটি চাড়মা পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সা) তার সাথে যৌনকাজ করে ঠান্ডা হলেন । তারপর বের হয়ে সাহাবীদের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়তানের বেশে এবং ফিরে যায় শয়তানের বেশে । অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে । কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয় ।
স্বলাত অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ৯ :: হাদিস ৪৯০
ইসমা’ঈল ইবনে খলীল (র)...... আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, একবার তাঁর সামনে সালাত নষ্টকারী জিনিসের আলোচনা করা হল। লোকেরা বললোঃ কুকুর, গাধা ও মহিলা সালাত নষ্ট করে দেয়। আয়িশা (রা) বললেন: তোমরা আমাদের কুকুরের সমান করে দিয়েছ! আমি নবী (সা) কে দেখেছি, সালাত আদায় করেছেন আর আমি তাঁর ও কিবলার মাঝে চৌকির উপর কাত হয়ে শুয়ে থাকতাম। কোন কোন সময় আমার বের হওয়ার দরকার হতো এবং তাঁর সামনের দিকে যাওয়া অপছন্দ করতাম। এজন্যে আমি চুপি চুপি সরে পড়তাম। আ’মাশ (র) আয়িশা (রা) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
উপরোক্ত হাদিস দুটোকে , নারীকে বলা হচ্ছে , তারা শয়তান ও কুত্তার সমান। মনে হয় না এর চাইতে আর কোন মানুষকে বেশী অপমান করা সম্ভব। এর পরেও কি মুমিনারা বিশ্বাস করবে ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান ?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন