কেন কোরান আল্লাহর বানী নয় , পর্ব -৪
কোরান দাবী করে সে একটা সবিস্তারে সম্পূর্ন কিতাব । অথচ যখন কোরানের বানীর সরাসরি অর্থ করা হয় তখন আল্লাহর বান্দারা হৈ হৈ করে তেড়ে এসে বলবে , উক্ত আয়াত কোন প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছিল তা জানতে হবে। এছাড়াও কোরানে বহু অর্থহীন উদ্ভট কথা বার্তা বিদ্যমান।
যেমন উদাহরন স্বরূপ একটা আয়াত দেখা যাক -
তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না। সূরা নিসা - ৪: ৮৯
উক্ত আয়াতের সোজা অর্থ হলো - মুসলমানরা তাদের ইসলাম অমুসলমান তথা কাফেরদের কাছে প্রচার করতে পারবে , তাদেরকে কিছুই বলা যাবে না , বরং আদর যত্ন খাতির করতে হবে , কিন্তু যেই অমুসলমানরা তাদের ধর্ম মুসলমানদের কাছে প্রচার করবে সাথে সাথেই তাদেরকে কতল করতে হবে। আর কস্মিনকালেও অমুসলমানদেরকে বন্ধু রূপে গ্রহন করা যাবে না। আর বলা বাহুল্য, এ অর্থ ইসলামকে একটা চুড়ান্ত বর্বর ধর্মে পরিনত করে। আর তখনই আল্লাহর বান্দারা বলা শুরু করবে এর প্রেক্ষাপট জানতে হবে। তা হলেই এর ভিতরের অপরূপ সৌন্দর্য বোঝা যাবে। তখন ঐ যে হত্যা করার কথা বলা হয়েছে , তা আসলে চুমা দেয়ার কথা বলছে এবং এটা রূপক অর্থে ধরতে হবে। তা , কোরানের কোথা্য় উক্ত আয়াতের প্রেক্ষাপট আছে ? যদি প্রেক্ষাপট ছাড়া কোরানের আয়াতের অর্থ করা না যায় , তাহলে তা বিস্তারিতভাবে বর্নিত সম্পূর্ন কিতাব হয় কি করে ?
আর একটা উদাহরন দেয়া যাক , যেমন --
সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে। সূরা বাকারা -২:২১৭
উক্ত আয়াতে বলছে সম্মানিত মাসে একটা যুদ্ধ হয়েছিল । কিন্তু কোন সেই যুদ্ধ , কাদের সাথে যুদ্ধ? কোথায় সেই যুদ্ধ? আর এই যুদ্ধ কে শুরু করেছিল আগে ?এটা কি আক্রমনাত্মক নাকি আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধ? কিছু বোঝা যায় কোরান থেকে ? তাহলে কোরান বিস্তারিত বর্ণনা করা একটা সম্পূর্ন কিতাব হলো কেমনে ?
আরও একটা উদাহরন দেয়া যায় ---
হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।সূরা আহযাব - ৩৩: ৫০
উক্ত আয়াত অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে আল্লাহ মুহাম্মদকে ফ্রি স্টাইল বিয়ে করার অনুমতি দিচ্ছে। এই জন্যেই মুহাম্মদ ১৩ টা বিয়ে করেছিলেন। এটা নিয়ে কথা বলতে গেলেই আল্লাহর বান্দারা তেড়ে এসে বলে , নবী তো বিভিন্ন কারনে বিয়ে করেছিলেন ইসলাম প্রচারের স্বার্থে। কিন্তু উক্ত ৩৩:৫০ আয়াত পড়ে কি সেটা বোঝা যাচ্ছে ? তো কোন প্রেক্ষিতে আল্লাহ মুহাম্মদকে এভাবে ফ্রি স্টাইল বিয়ে করার অনুমতি দিচ্ছে , তার কোন কারন কি কোরান পড়ে বোঝা যায় ?
কিন্তু তার চাইতে বিস্ময়কর ব্যপার হলো , এর কিছু পরেই আল্লাহ আবার নিষেধ করে দিচ্ছে মুহাম্মদ যেন আর বিয়ে না করেন, যেমন -
এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন। সূরা আহযাব -৩৩:৫২
হঠাৎ কেন আল্লাহ বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করল ? এর কোন কারন কি কোরান পড়ে বোঝা যাচ্ছে ? দুইদিন আগে আল্লাহ বলল - মুহাম্মদ , তুমি যত ইচ্ছা বিয়ে কর। এরপর বিনা নোটিশে হঠাৎ আল্লাহ বলল - মুহাম্মদ , তুমি আর বিয়ে করতে পারবে না। এ যেন আল্লাহর একটা মহা ফাজলামি। আল্লাহর খামখেয়ালীপনা। আল্লাহ এমন ধরনের ফাজলামি বা খামখেয়ালীপনা করবে ?
এরকমভাবে আরও শত শত উদাহরন দেয়া যাবে।
এছাড়া কোরানে অনেক অর্থহীন বাক্যও আছে অনেকটা যাদুকর যেমন বলে থাকে যাদু দেখাতে গিয়ে , বা ওঝারা বলে থাকে সাপের বিষ ফেলাতে গিয়ে। যেমন -
আলিফ লাম মীম। সূরা বাকারা - ২: ১ (মদিনায় অবতীর্ণ)
আলিফ, লাম, মীম, ছোয়াদ। সূরা আরাফ-৭:১(মক্কায় অবতীর্ণ)
আলিফ-লাম-মীম-রা; এগুলো কিতাবের আয়াত। যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে, তা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এতে বিশ্বাস করে না। সূরা রাদ -১৩:১ (মক্কায় অবতীর্ন)
আলিফ-লাম-র, এগুলো হেকমতপূর্ণ কিতাবের আয়াত।সূরা ইউনুস-১০:১ (মক্কায় অবতীর্ণ)
উক্ত আয়াতগুলোর - আলিম , লাম , মীম , রা , র - এসব পুরাই অর্থহীন বাক্য। আর কোরানে তা নাকি হিকমতপূর্ন বাক্য। কিন্তু কি সেই হিকমত তা কেউ জানে না। মনে হয় এই না জানতে পারাটাই হলো মহা হিকমত। এই ধরনের উদ্ভট ,অর্থহীন বাক্য বললে কে বিশ্বাস করবে যে তা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে? সেই কারনে কিন্তু সুরা রাদে বলছেও যে- অধিকাংশ মানুষ এতে বিশ্বাস করে না। খেয়াল করুন উক্ত আয়াতের সবগুলোই মক্কায় নাজিল। বাকারার এক বিরাট অংশই মক্কায় নাজিল শুরু শেষ হয় মদিনায়। এখন মক্কার লোকজন উক্ত অর্থহীন উদ্ভট কথাকে কেন আল্লাহর বানী মনে করবে? একারনেই মক্কার লোকজন মুহাম্মদকে উন্মাদ , পাগল বলে অপদস্ত করত। অথচ মজার ব্যপার হলো -কিছু কিছু আল্লাহর বান্দাদের কাছে এসব গুলো নাকি অলৌকিক বাক্য। এই বাক্য যে আসলেই অর্থহীন তা কিছু লোক বুঝতে পেরে কিছুটা সাফাই গেয়েছে নিচের সাইটে ---
http://en.islamtoday.net/artshow-262-3440.htm
কোরান দাবি করছে তা সব কিছু বিস্তারিত ও নির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করেছে অথচ দেখা যায় তার বহু বাক্যেরই অর্থ করতে গেলে প্রেক্ষাপট জানা লাগে যা আবার কোরানে বর্ণিত নাই , তার অর্থ কোরান মোটেই সব কিছু বিস্তারিত ও নির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করে নি। এছাড়াও কোরানে বহু বাক্য আছে যা সোজা কথায় অর্থহীন ও উদ্ভট। সর্বজ্ঞানী আল্লাহ বিস্তারিত বিবরন সহ সম্পূর্ন কিতাব নাজিল করার দাবী করে তা অসম্পূর্ণ করে বর্ণনা করবে , এটা অসম্ভব। একই সাথে সর্বজ্ঞানী আল্লাহ অর্থহীন উদ্ভট কথা বার্তা বলবে , সেটাও অসম্ভব। আর তাই কোরান আল্লাহর বানী হতেই পারে না।
যেমন উদাহরন স্বরূপ একটা আয়াত দেখা যাক -
তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না। সূরা নিসা - ৪: ৮৯
উক্ত আয়াতের সোজা অর্থ হলো - মুসলমানরা তাদের ইসলাম অমুসলমান তথা কাফেরদের কাছে প্রচার করতে পারবে , তাদেরকে কিছুই বলা যাবে না , বরং আদর যত্ন খাতির করতে হবে , কিন্তু যেই অমুসলমানরা তাদের ধর্ম মুসলমানদের কাছে প্রচার করবে সাথে সাথেই তাদেরকে কতল করতে হবে। আর কস্মিনকালেও অমুসলমানদেরকে বন্ধু রূপে গ্রহন করা যাবে না। আর বলা বাহুল্য, এ অর্থ ইসলামকে একটা চুড়ান্ত বর্বর ধর্মে পরিনত করে। আর তখনই আল্লাহর বান্দারা বলা শুরু করবে এর প্রেক্ষাপট জানতে হবে। তা হলেই এর ভিতরের অপরূপ সৌন্দর্য বোঝা যাবে। তখন ঐ যে হত্যা করার কথা বলা হয়েছে , তা আসলে চুমা দেয়ার কথা বলছে এবং এটা রূপক অর্থে ধরতে হবে। তা , কোরানের কোথা্য় উক্ত আয়াতের প্রেক্ষাপট আছে ? যদি প্রেক্ষাপট ছাড়া কোরানের আয়াতের অর্থ করা না যায় , তাহলে তা বিস্তারিতভাবে বর্নিত সম্পূর্ন কিতাব হয় কি করে ?
আর একটা উদাহরন দেয়া যাক , যেমন --
সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে। সূরা বাকারা -২:২১৭
উক্ত আয়াতে বলছে সম্মানিত মাসে একটা যুদ্ধ হয়েছিল । কিন্তু কোন সেই যুদ্ধ , কাদের সাথে যুদ্ধ? কোথায় সেই যুদ্ধ? আর এই যুদ্ধ কে শুরু করেছিল আগে ?এটা কি আক্রমনাত্মক নাকি আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধ? কিছু বোঝা যায় কোরান থেকে ? তাহলে কোরান বিস্তারিত বর্ণনা করা একটা সম্পূর্ন কিতাব হলো কেমনে ?
আরও একটা উদাহরন দেয়া যায় ---
হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।সূরা আহযাব - ৩৩: ৫০
উক্ত আয়াত অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে আল্লাহ মুহাম্মদকে ফ্রি স্টাইল বিয়ে করার অনুমতি দিচ্ছে। এই জন্যেই মুহাম্মদ ১৩ টা বিয়ে করেছিলেন। এটা নিয়ে কথা বলতে গেলেই আল্লাহর বান্দারা তেড়ে এসে বলে , নবী তো বিভিন্ন কারনে বিয়ে করেছিলেন ইসলাম প্রচারের স্বার্থে। কিন্তু উক্ত ৩৩:৫০ আয়াত পড়ে কি সেটা বোঝা যাচ্ছে ? তো কোন প্রেক্ষিতে আল্লাহ মুহাম্মদকে এভাবে ফ্রি স্টাইল বিয়ে করার অনুমতি দিচ্ছে , তার কোন কারন কি কোরান পড়ে বোঝা যায় ?
কিন্তু তার চাইতে বিস্ময়কর ব্যপার হলো , এর কিছু পরেই আল্লাহ আবার নিষেধ করে দিচ্ছে মুহাম্মদ যেন আর বিয়ে না করেন, যেমন -
এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন। সূরা আহযাব -৩৩:৫২
হঠাৎ কেন আল্লাহ বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করল ? এর কোন কারন কি কোরান পড়ে বোঝা যাচ্ছে ? দুইদিন আগে আল্লাহ বলল - মুহাম্মদ , তুমি যত ইচ্ছা বিয়ে কর। এরপর বিনা নোটিশে হঠাৎ আল্লাহ বলল - মুহাম্মদ , তুমি আর বিয়ে করতে পারবে না। এ যেন আল্লাহর একটা মহা ফাজলামি। আল্লাহর খামখেয়ালীপনা। আল্লাহ এমন ধরনের ফাজলামি বা খামখেয়ালীপনা করবে ?
এরকমভাবে আরও শত শত উদাহরন দেয়া যাবে।
এছাড়া কোরানে অনেক অর্থহীন বাক্যও আছে অনেকটা যাদুকর যেমন বলে থাকে যাদু দেখাতে গিয়ে , বা ওঝারা বলে থাকে সাপের বিষ ফেলাতে গিয়ে। যেমন -
আলিফ লাম মীম। সূরা বাকারা - ২: ১ (মদিনায় অবতীর্ণ)
আলিফ, লাম, মীম, ছোয়াদ। সূরা আরাফ-৭:১(মক্কায় অবতীর্ণ)
আলিফ-লাম-মীম-রা; এগুলো কিতাবের আয়াত। যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে, তা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এতে বিশ্বাস করে না। সূরা রাদ -১৩:১ (মক্কায় অবতীর্ন)
আলিফ-লাম-র, এগুলো হেকমতপূর্ণ কিতাবের আয়াত।সূরা ইউনুস-১০:১ (মক্কায় অবতীর্ণ)
উক্ত আয়াতগুলোর - আলিম , লাম , মীম , রা , র - এসব পুরাই অর্থহীন বাক্য। আর কোরানে তা নাকি হিকমতপূর্ন বাক্য। কিন্তু কি সেই হিকমত তা কেউ জানে না। মনে হয় এই না জানতে পারাটাই হলো মহা হিকমত। এই ধরনের উদ্ভট ,অর্থহীন বাক্য বললে কে বিশ্বাস করবে যে তা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে? সেই কারনে কিন্তু সুরা রাদে বলছেও যে- অধিকাংশ মানুষ এতে বিশ্বাস করে না। খেয়াল করুন উক্ত আয়াতের সবগুলোই মক্কায় নাজিল। বাকারার এক বিরাট অংশই মক্কায় নাজিল শুরু শেষ হয় মদিনায়। এখন মক্কার লোকজন উক্ত অর্থহীন উদ্ভট কথাকে কেন আল্লাহর বানী মনে করবে? একারনেই মক্কার লোকজন মুহাম্মদকে উন্মাদ , পাগল বলে অপদস্ত করত। অথচ মজার ব্যপার হলো -কিছু কিছু আল্লাহর বান্দাদের কাছে এসব গুলো নাকি অলৌকিক বাক্য। এই বাক্য যে আসলেই অর্থহীন তা কিছু লোক বুঝতে পেরে কিছুটা সাফাই গেয়েছে নিচের সাইটে ---
http://en.islamtoday.net/artshow-262-3440.htm
কোরান দাবি করছে তা সব কিছু বিস্তারিত ও নির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করেছে অথচ দেখা যায় তার বহু বাক্যেরই অর্থ করতে গেলে প্রেক্ষাপট জানা লাগে যা আবার কোরানে বর্ণিত নাই , তার অর্থ কোরান মোটেই সব কিছু বিস্তারিত ও নির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করে নি। এছাড়াও কোরানে বহু বাক্য আছে যা সোজা কথায় অর্থহীন ও উদ্ভট। সর্বজ্ঞানী আল্লাহ বিস্তারিত বিবরন সহ সম্পূর্ন কিতাব নাজিল করার দাবী করে তা অসম্পূর্ণ করে বর্ণনা করবে , এটা অসম্ভব। একই সাথে সর্বজ্ঞানী আল্লাহ অর্থহীন উদ্ভট কথা বার্তা বলবে , সেটাও অসম্ভব। আর তাই কোরান আল্লাহর বানী হতেই পারে না।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন